১|ফ্রী বাগান চাষ
জেলে কয়েদ থাকা অবস্থায় একদিন ভোলানাথের কাছে তার স্ত্রীর চিঠি এল। চিঠিতে লেখা, ‘আমি সামনের বাগানটায় স্ট্রবেরি চাষ করতে চাই। তুমি কি বলে দেবে, এর জন্য কোন সময়টা উপযুক্ত?’ ভোলানাথ বুঝতে পারল যে জেলপ্রহরী তার সবগুলো চিঠি আগেই পড়ে ফেলে। তাই জেলপ্রহরীকে মজা দেখানোর জন্য ভোলানাথ তাঁর স্ত্রীর কাছে চিঠি লিখল, ‘খবরদার! সামনের বাগানে হাত দেবে না। ওখানে আমার সবগুলো টাকা লুকিয়ে রেখেছি।’ কিছু দিন পর ভোলানাথ আবারও তার স্ত্রীর একটি চিঠি পেল। তাতে লেখা, ‘তুমি কল্পনাও করতে পারবেনা, কী ঘটেছে! কাল কিছু পুলিশ এসে তোমার সামনের বাগানটা অযথা খোঁড়াখুঁড়িকরে চাষ করে ফেলেছে। কিন্তু তারা কিছুই পায়নি।’ চিঠির উত্তরে ভোলানাথ লিখে, ‘হুম, এখনই হচ্ছে স্ট্রবেরি চাষের উপযুক্ত সময়। আর দেখলে, কীভাবে পুলিশদের দিয়ে ফ্রি ফ্রি বাগানটা চাষ করিয়ে নিলাম।’
২|পিটিয়ে আধমরা
পাহাড়ে উঠেছে ভোলানাথ। উঠেই সে একটা আলাদিনের চেরাগ হাতে পেয়ে গেল। ভোলানাথ সেই চেরাগে ঘষা মারতেই এক দৈত্য এসে হাজির হয়ে বলল, ‘হুকুম করুন আমার মালিক।’ ভোলানাথ তো অবাক। খানিক পরে সে ধাতস্থ হয়ে বলল, ‘আমি তোমার কাছে তিনটি জিনিস চাইব। দিতে পারবে তো?’ দৈত্য বলল, ‘জি মালিক,তবে আমার একটা শর্ত আছে। আপনাকে যা দেব, আপনার বন্ধু ওই জিনিসটি আপনা-আপনি দ্বিগুণ পরিমাণে পাবে।’ ভোলানাথ তো এতে মহাখুশি। সে রাজি হয়ে বলল, ‘ঠিক আছে, তবে তাই হোক। আমাকে একটা পরশপাথর দাও দেখি।’ দৈত্যভোলানাথকে পরশপাথর দিয়ে বলল, ‘আপনার বন্ধু কিন্তু দুটি পরশপাথর পেয়েছে।’ এরপর ভোলানাথ দৈত্যের কাছে ১০০ মিলিয়ন ডলার চাইল। দৈত্য ভোলানাথের হাতে ১০০ মিলিয়ন ডলার ধরিয়ে দিয়ে বলল, ‘আপনার বন্ধু এবার ২০০ মিলিয়ন ডলার পেল।’ ভোলানাথের বন্ধু সবকিছু দ্বিগুণ পাচ্ছে দেখে ভোলানাথের রাগ চরমে উঠে গেল। এ ছাড়াওই বন্ধুর ওপর খানিক রাগওআছে তার। সে ভাবল, এই তো সুযোগ! মুচকি হেসে দৈত্যকে বলল, ‘এবার আমাকে পিটিয়ে আধমরা করে দাও তো বাপু!
৩|টেলিভিশন ছাড়া সবকিছু চুরি হয়ে গেছে
ভোলানাথ পুলিশের কাছে গিয়ে নালিশ করল, ‘স্যার, কাল রাতে টেলিভিশনটা ছাড়া আমার বাসার সবকিছু চুরি হয়ে গেছে।’ এ কথা শুনে পুলিশ অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, ‘তা চোর মহাশয় সব নিল কিন্তু টেলিভিশনটা নিল না কেন?’ ভোলানাথের জবাব, ‘ওটা আর চুরি করবে কীভাবে বলেন, আমি তো তখন বসে বসে টেলিভিশনে অনুষ্ঠান দেখছিলাম!’
৪|ওষুধ সেবন
ফুটবল খেলতে গিয়ে ভোলানাথ পায়ে প্রচণ্ড ব্যথা পেয়েছে। সেই ব্যথা নিয়ে সে কোঁকাতে কোঁকাতে ডাক্তারের কাছে গিয়ে হাজির। তাকে দেখে ডাক্তার বললেন, ‘কী মনে করে এলে, ভোলানাথ?’ ভোলানাথ মুখ কুঁচকে বলল, ‘আর বলবেন না ডাক্তার বাবু, পায়ের ব্যথায় যে মরে যাচ্ছি গো। তাড়াতাড়ি ব্যথা কমানোর বড়ি দিন দেখি।’ ডাক্তার ভোলানাথকে ভালো করে দেখে চিকিত্সাপত্রে কিছু বড়িরনাম লিখে পাশে লিখে দিল—‘ইহার পর হইতে ব্যথা উঠিবার আধাঘণ্টা পূর্বে ওষুধটি সেবন করিবে।’
৫|খরচাটা একটু বাড়িয়ে দিতে চাই
ভোলানাথ প্রায়ই টেলিভিশনে বিদেশি চ্যানেলে অনুষ্ঠান দেখে।ভোলানাথের স্ত্রী তাই মহা খাপ্পা। রেগেমেগে তিনি একদিন জিজ্ঞেস করলেন, ‘আচ্ছা, তুমি সারা দিন বসে বসে শুধু বিদেশি চ্যানেল দেখ কেন?’ ভোলানাথ খুব বিরক্তির স্বরে বলল, ‘যেটা বোঝো না সেটা নিয়ে কথা বলতে এসো না। স্বদেশের প্রতি প্রীতি আছে বলেই আমি বিদেশি চ্যানেল দেখি। যত বেশি বিদেশি চ্যানেল দেখব ততই তো ওদের খরচ হবে। তাই বিদেশিদের খরচাটা একটু বাড়িয়ে দিতে চাই। বুঝলে গিন্নি?’
৬|বিশ্বস্ত
ভোলানাথের সঙ্গে তার এক মনোরোগ চিকিত্সক বন্ধুর দেখা। ভোলানাথ তাকে দেখে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, ‘আরে গোপাল, তুই! আমি তো শুনেছিলাম তুই মরে গেছিস!’
গোপাল: হুমম, কিন্তু এখন তো জীবিতই দেখলে, নাকি?
ভোলানাথ: হতেই পারে না! যে ব্যক্তি আমাকে এই সংবাদ দিয়েছে সে যে তোমারচেয়েও বিশ্বস্ত।
৭|যখন গরম লাগে
একবার প্রচণ্ড গরমের সময়ভোলানাথের সঙ্গে এক ভদ্রলোকের কথা হচ্ছে—
ভদ্রলোক: আচ্ছা মশাই, আপনার যখন গরম লাগে, আপনিতখন কী করেন?
ভোলানাথ: কেন, এসির পাশে গিয়ে বসে থাকি!
ভদ্রলোক: এসির পাশে বসেও যদি আপনার গরম লাগে?
ভোলানাথ: হুম্ম্, তখন এসিটা চালিয়ে দিই।
৯|ফ্রি উপহার
একদিন ভোলানাথ দোকানে গিয়েছেন তেল কিনতে। তেল কিনে ভোলানাথ রাগে টং হয়েদোকানদারকে বললেন—
ভোলানাথ: আরে ভাই, তেলের সঙ্গে আমার ফ্রি উপহার কই?
দোকানদার: রাগছেন কেন? তেলের সঙ্গে কোম্পানি তো কোনো উপহার দেয়নি। আমি উপহার বানিয়ে দেব নাকি?
ভোলানাথ: আরে মশাই, আমাকেবোকা বানাচ্ছেন, না? আমি কি মূর্খ নাকি যে পড়তে পারি না! তেলের বোতলের গায়েই তো লেখা আছে, কোলেস্টেরল ফ্রি। কই, সেটা তো দিচ্ছেন না।
১০|বিজ্ঞাপন ছাপাতে গিয়ে
একবার ভোলানাথ একটি পত্রিকা অফিসে গেছেন তাঁর চাচার মৃত্যুসংবাদের বিজ্ঞাপন দিতে। ভোলানাথ আর পত্রিকা অফিসের কেরানির মধ্যে কথা হচ্ছে—
ভোলানাথ: আচ্ছা ভাই, এ বিজ্ঞাপনটি ছাপতে টাকা কী পরিমাণ খরচা হবে, একটুবলবেন?
কেরানি: আমাদের পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের হার হচ্ছে, প্রতি কলাম এক সেন্টিমিটার জায়গার জন্য৩৬০ টাকা।
ভোলানাথ: বলেন কি! এই বিজ্ঞাপন ছাপাতে গিয়ে আমিই তো মরে যাব দেখছি।
কেরানি: কেন? কী হয়েছে আপনার?
ভোলানাথ: আরে ভাই, প্রতি কলাম এক সেন্টিমিটার জায়গার মূল্য ৩৬০ টাকা। কিন্তু আমার চাচা তো ১৮২ সেন্টিমিটার লম্বা। তাহলে বুঝুন আমার অবস্থাটা! ১১|ইংরেজি সিনেমা
একবার কলেজের অডিটরিয়ামে মাদার তেরেসা এসেছিলেন। অনুষ্ঠানটি দেখা নিয়ে হীরালাল আর ভোলানাথের সঙ্গে কথা হচ্ছে—
হীরালাল: জানিস, আজ সন্ধ্যায় মাদার তেরেসা আসবেন আমাদের অডিটরিয়ামে। চল না, একসঙ্গে দেখে আসি।
ভোলানাথ: না রে! তুই একাই যা। বাবা আমাকে ইংরেজি সিনেমা দেখতে বারণ করেছেনতো!
১২|কত টাকা দিতে হবে
একবার ভোলানাথ নতুন কার কিনে নিজে চালিয়ে অফিসে যাচ্ছিলেন। রাস্তায় সিগন্যাল বাতি জ্বলে ওঠায় গাড়িতে বসে অপেক্ষা করছিলেন ভোলানাথ। একবার বাধ্য হয়ে ভোলানাথ ট্রাফিক পুলিশকে বললেন. ‘আচ্ছা মশাই, এ মুহূর্তে ডান দিকে যেতে হলে আপনাকেকত টাকা দিতে হবে?’ ট্রাফিক পুলিশ রেগে বললেন, ‘আপনি তো আচ্ছা লোকহে! আমাকে টাকার কথা বলছেন কেন? একদম জেলে পুরে রাখব কিন্তু।’ ভোলানাথ ট্রাফিক পুলিশকেএকটি সাইনবোর্ড দেখিয়ে বললেন, ‘আমার কী দোষ, সাইনবোর্ডে তো আপনারাই লিখেছেন Free left turn।’
১৩|আগে জেনে তারপর
একবার ভোলানাথ শখ করে প্রথমবারের মতো একটি বিখ্যাত রেস্টুরেন্টে খেতে গেছেন। ওয়েটার সামনে খাবার দিয়ে গেলেন। খাওয়াদাওয়া শেষে বেসিনে হাত ধুতে গিয়ে ভোলানাথ হাত ধোয়ার বদলে পুরো বেসিনই ঘষামাজা শুরু করে দিয়েছেন। দেখে ওয়েটার আঁতকে উঠে বললেন, ‘আরে মশাই, আপনি করছেনটা কী? আপনি বেসিন পরিষ্কার করছেন কেন?’ ভোলানাথ রেগেগিয়ে বললেন, ‘আপনারাই তো বোকার মতো বেসিনের ওপর লিখে দিয়েছেন—ওয়াশ বেসিন। তাই তো বেসিন পরিষ্কার করছি। মশাই, আগেপড়াশোনাটা ভালো করে জেনে তারপর এসব নোটিশ টাঙাবেন,বুঝলেন?
১৪|দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিষেধ
ভোলানাথ আর তার কাকা একবার ব্যবসা করার পরিকল্পনা করল। অনেক ভেবেচিন্তে তারা ঠিক করল রেস্তোরাঁর ব্যবসা করবে।যেই ভাবা সেই কাজ। রেস্তোরাঁ তৈরি হলো। রান্নাবান্নাও হলো। তারপর তারা ক্রেতার জন্য অপেক্ষা করতে লাগল। কিন্তু কোনো ক্রেতাই সেদিন আর এল না। এভাবে একদিন দুই দিন করে সপ্তাহ পার হলো, কিন্তু ক্রেতার কোনো দেখা নেই।
শেষে জানা গেল, ভোলানাথ তাদের রেস্তোরাঁর সামনে বড় করে লিখে দিয়েছিল ‘দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিষেধ’।
তো ব্যর্থ হয়ে তারা ভাবল,তাদের দিয়ে আর যা-ই হোক রেস্তোরাঁর ব্যবসা হবে না। এবার তারা আবার মোটর গ্যারেজের ব্যবসা শুরু করল। যন্ত্রপাতিও কেনা হলো। কিন্তু ‘যাহা কদু তাহাই লাউ’য়ের মতো অবস্থা। দিনমান অপেক্ষারপরও কোনো গাড়িই তাদের গ্যারেজে ঢুকল না। এভাবে এক দিন দুই দিন করে সপ্তাহই শেষ, কিন্তু গাড়ির কোনো খবর নেই।
তো, তাদের গ্যারেজে কোনো গাড়ি না আসার কারণ হলো, গ্যারেজটি ছিল একটি ভবনের তৃতীয় তলায়।
১৫|হোটেলে ভোলানাথ
জীবনের প্রথম ভোলানাথ গ্রাম থেকে শহরে এসে একটাহোটেলে উঠেছে। হোটেলবয় তাকে কক্ষ দেখানোর জন্য নিয়ে যাওয়ার পর ছোট্ট একটা কক্ষে ঢুকতেই দরজা বন্ধ হয়ে গেল। ভোলানাথ দেখল সেখানে আরও একজন লোকদাঁড়িয়ে আছে। তো তাকে ভোলানাথ বলল, ‘মশাই, দেখুনতো, আমি গ্রাম থেকে এসেছি। টাকাও সব শোধ করে দিয়েছি। কিন্তু এই ব্যাটারা কত ছোট্ট একটা ঘর আমাকে দিয়েছে। থাকার কথা ছিল আমার একার কিন্তুএখন দেখছি, মশাই, আপনিও আমার ঘরে। তারপর ওপরে আবার বিছানা নেই, নেই বাতাস ঢোকার কোনো ব্যবস্থা। ব্যাটারা কেমনজোচ্চোর বুঝুন।’
এমন সময় হোটেলবয় এসে জানাল, ‘আরে মশাই, এটা তো আপনার কক্ষ নয়। এটা তো লিফট।’
১৬|টিস্যু পেপার কিনতে এসেছি
একদিন ভোলা এক মুদিদোকানে গেল তার বিড়ালের জন্য খাবার কিনতে। তাকে দেখে দোকানদারের একটু সন্দেহইহলো, ভোলার তো কোনো বিড়ালনেই। ওই ব্যাটা বিড়ালের খাবার অল্প দামে কিনে শেষে না আবার নিজেই খেয়ে ফেলে। তাই দোকানদার জানিয়ে দিল, তাকে ওই বিড়ালটি দেখাতে হবে। তারপর সে বিড়ালের খাবার বিক্রি করবে। কী আর করা! বাসা থেকে ভোলা বিড়াল এনেদেখিয়েই খাবারটি কিনল।
পরের সপ্তাহে আবার ভোলা ওই একই দোকানে গেল তার প্রিয় কুকুরটির জন্য খাবার কিনতে। কিন্তু এবারও মহা ফ্যাসাদে পড়ে গেল সে। দোকানদারও নাছোড়বান্দা। কুকুর তাকেদেখাতেই হবে। তারপর খাবার বিক্রি। তো ভোলা আবারও বাসা থেকে কুকুর এনে দোকানদারকে দেখিয়ে খাবার নিয়ে গেল।
কিছুদিন পর আবারও ভোলা হাতে একটা ব্যাগ নিয়ে ওই দোকানে গিয়ে হাজির। ব্যাগটি দোকানদারকে দিয়েবলল, ‘দেখেন।’ দোকানদার ব্যাগ খুলে ওয়াক ওয়াক থু থু করতে লাগল, ‘ছি ছি ভোলা, তুমি কফ-থুথু এসব ব্যাগে ভরে নিয়ে এসেছ কেন!’ ভোলা বলল, ‘আরে মশাই,ঠিকই তো আছে। এবার যে আমিটিস্যু পেপার কিনতে এসেছি!’
১৭|ভুল ঠিকানায় চিঠি
একবার ভোলার কাছে তার বন্ধু রামের একটি চিঠি এল।
চিঠিতে লেখা, ‘ভোলাজি, আমিএকটা মহা ঝামেলায় পড়েছি, একমাত্র তুমিই পার এই ঝামেলা থেকে আমাকে মুক্তি দিতে। দয়া করে যদিতুমি আমাকে ১০ হাজার টাকাপাঠিয়ে দাও, তাহলে বর্তে যাই আমি। ছয় মাস পরই ধারের টাকা শোধ করে দেব।’
এই চিঠি পেয়ে ভোলার মাথা তো একদম গরম। ওই ব্যাটা রাম যে একটা জোচ্চোর তা ভালো করেই জানে ভোলা। মরেগেলেও সে কিছুতেই এ টাকা শোধ করবে না। মহা চিন্তায়পড়ল ভোলা। ভাবতে ভাবতে হুট করেই বুদ্ধি করল, এবার তাকে একটা পাল্টা চিঠি পাঠিয়ে দিই।
ভোলা চিঠিতে লিখে দিল, ‘ভাই রামজি, আমি খুবই দুঃখিত যে, তুমি ১০ হাজারটাকা চেয়ে যে চিঠিটি আমারঠিকানায় পাঠিয়েছ, তা হয়তোভুল করে অন্য কারও কাছে গেছে। তাই সেই চিঠিটি এখনো আমার হাতে এসে পৌঁছায়নি। তাই তোমাকে টাকাটা দিতে পারলাম না বলে ক্ষমা কোরো।’
১৮|কৌতুক প্রতিযোগিতা
একবার এক অভিনব কৌতুক প্রতিযোগিতার আয়োজন হলো।সর্বমোট ১০০টি কৌতুক বলা হবে। যে ব্যক্তি পুরো ১০০টি কৌতুক শোনার পরও একটুও হাসবে না, তাকে পুরস্কৃত করা হবে। তো, এইখবর শুনে ভোলা বন্ধুবান্ধব নিয়ে লাফাতেলাফাতে সেখানে গিয়ে হাজির। ভোলাসহ সব প্রতিযোগী নিজ নিজ আসনে বসে আছে। সামনে চলছে কৌতুক পরিবেশন। কৌতুক শুনে সবাই হো হো করে হাসতে হাসতে একজন একজন করে বাদ পড়ে যাচ্ছে। কিন্তু ভোলার মুখে কোনো হাসি নেই। এভাবে ৯৯টা কৌতুক শেষ এর পরও ভোলাকে কেউ হাসাতে পারল না। কিন্তু ১০০ নম্বর কৌতুক শুনেই পেট চেপে ধরে হাসতেহাসতে ভোলা গড়াগড়ি দিচ্ছিল। তার বন্ধুরা তো এবার রেগে অগ্নিশর্মা। পাশ থেকে বলতে লাগল, ‘আরে বুদ্ধু, এই শেষবেলায় এসে হাসছিস কেন? পুরস্কারটা তো আমাদের হাতছাড়া করে দিলি। সব বরবাদ হয়ে গেল’ ভোলা বলল, ‘আরে দোস্ত, আমিকী করব? এইমাত্র কানে লাগানো ছিপিটা খুলে গেল যে।
১৯| এত্ত বড় বড় স্পিডব্রেকার
প্রথমবারের মতো ভোলানাথ গেছেন দিল্লিতে। দিল্লি গিয়ে তিনি প্রথমেই বড় বড় রাস্তা, স্টেডিয়ামগুলো ঘুরে ঘুরে দেখা শুরু করলেন। তো ভোলানাথ বেশ ফুরফুরে মনে ঘোরাঘুরি করতে করতে রাস্তার মধ্যে একটি উঁচু জায়গার সামনে এসে দাঁড়িয়ে গেলেন। তিনি ঠিক ঠাওর করতে পারছিলেন না আসলে এই জিনিসটা কী। পথিমধ্যে এক ভদ্রলোকের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়ে গেল।ভোলানাথ ওই ভদ্রলোককে বললেন, ‘দাদা, আপনাদের দিল্লিটা বেশ চমত্কার, চারদিকটা গোছানো। কিন্তুরাস্তার মধ্যে এত্ত বড় বড়স্পিডব্রেকারগুলো কেন বানিয়েছে, তা ঠিক বুঝতে পারছি না। জনগণের চলাচলের অসুবিধা হয়, এটা কি কর্তৃপক্ষ বোঝে না, নাকি?’ ভদ্রলোকের জবাব ‘আরে মশাই, বোকার মতো কথা বলছেন কেন। ওটা তো ফ্লাইওভার।’
২০|দুই রঙের মোজা
ভোলা একবার এক পায়ে সাদা আর এক পায়ে কালো রঙের মোজা পরে স্কুলে গেল। দেখে শিক্ষক রাগে অগ্নিশর্মা হয়ে বললেন, ‘ভোলা, তুই দুই রঙের মোজা পরে স্কুলে এসেছিস কেন?’
ভোলা: স্যার, আমি দু-তিন দিন ধরে বাসায় এই নতুন মোজা জোড়া দেখছি, তাই পরেএলাম।
স্যার: দেখলেই কি দুই রঙের মোজা পরতে হবে?
ভোলা: স্যার, আমার কী দোষ!আমার বাবাও তো ঠিক আমার মতোই দুই রঙের মোজা পরে অফিসে যান। আরও ২০ টি কৌতুক ২১| সব পুরুষই বোকা, আর আমি তাদের রাজাকে বিয়ে করেছি।
২২|মৃত্যু বংশানুক্রমিক একটা ব্যাপার।
২৩| পুরুষেরা কি ঘরের কাজে সাহায্য করে?
—করে। মেয়েরা যখন ঘর পরিষ্কার করে, তখন তারা পা তুলে বসে।
২৪| পৃথিবীতে তিন ধরনের মানুষ আছে—১. যারা গুনতে পারে। ২. যারা গুনতে পারে না।
২৫|মানুষ যতদিনে বুঝতে পারে যে তার বাবা ঠিক কথাই বলত, ততদিনে তার ছেলে বড় হয়ে তার ভুল ধরতে শুরু করে।
২৬|হে প্রভু, যদি আমার ওজন না-ই কমে, তাহলে আমার বন্ধুদের মোটা বানিয়ে দাও।
২৭|‘সংক্ষেপকরণ’ শব্দটি নিজে এত লম্বা কেন?
২৮|অনেক ভালোবাস? তাহলে তাজা গোলাপ ২৪ ক্যারেট সোনার ভেতর সিলমোহর করে পাঠাও।
২৯| সেদিন একটি মেয়ে আমাকে ফোন করে বলল, ‘চলে এস, বাড়িতে কেউ নেই।’ তারদেওয়া ঠিকানায় গিয়ে দেখি সেটি একটি পোড়োবাড়ি। সেখানে আসলেই কেউ থাকে না।
৩০| হাই! আমি ভাইরাস। আপনার মস্তিষ্কে ঢুকতে যাচ্ছি। ওয়েট! মস্তিষ্কখুঁজছি…খুঁজছি…সরি, আপনার কোনো মস্তিষ্ক খুঁজে পাওয়া যায়নি। আমি চললাম। বাই!
৩১| বান্দরবান ঘুরে আসার পর এক বন্ধু আরেক বন্ধুকেজিজ্ঞেস করল, কি রে, বান্দরবানে প্রাকৃতিক দৃশ্য কেমন দেখলি? জবাবে আরেক বন্ধু বলল, ‘আরে দূর,পাহাড়ের জন্য কিছুই দেখতে পারিনি।’
৩২| আলঝেইমার (কিছু মনে না থাকার রোগ) রোগ হওয়ারএকটি সুবিধা আছে। রোজই আপনি নতুন নতুন বন্ধু পাবেন।
৩৩| যে লোক দুই কানে তুলা গুঁজে রাখে, তাকে কী বলা যায়?
—তাকে যা ইচ্ছা তাই বলা যায়।
৩৪| মনে করি, A হলো একটি সফল জীবন। A=x y z, এখানে x=কাজ, y=খেলা, z=মুখ বন্ধ রাখা।
৩৫| প্লেনে উঠে বিমানবালাকে বললাম, ‘আমারএকটি ব্যাগ নিউইয়র্কে, একটি ব্যাগ লস অ্যাঞ্জেলেসে এবং আরেকটিমায়ামিতে পাঠিয়ে দিন।’ মহিলা বললেন, ‘অসম্ভব’। আমি বললাম, ‘গত সপ্তাহে আপনারা এ কাজটিই করেছেন।’
৩৬| ডাক্তার বললেন, আমি আরছয় মাস বাঁচব। আগামী ছয়মাসে বিলের টাকা দিতে পারব না শুনে বললেন, ছয় মাস নয়, এক বছর বাঁচবেন।
৩৭| ডাক্তার বললেন, ‘আপনি ৬০ বছর বাঁচবেন।’ আমি বললাম, ‘এখনই আমার বয়স ৬০।’ ডাক্তার খুশি হয়ে বললেন, ‘বলেছিলাম না?’
৩৮| ভিখারি বলল, ‘সারা সপ্তাহ খাবারের স্বাদ পাইনি।’ উত্তর এল, ‘চিন্তাকোরো না, খাবারের স্বাদ এখনো আগের মতোই আছে।’
৩৯| ছেলে: বাবা, ইডিয়ট কাকে বলে?
বাবা: ইডিয়ট হলো সেই সব বোকা ব্যক্তি যারা নিজেদের বক্তব্য এত বেশি প্রলম্বিত করে যে কেউ তারকথা বুঝতে পারে না। বুঝতেপেরেছ?
ছেলে: না।
৪০| একজন এসে পুলিশকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আমি কি এখানে গাড়িটা পার্ক করতে পারি?’
—না
—তাহলে এই গাড়িগুলো এখানে কেন?
—তারা কেউ এখানে গাড়ি পার্ক করতে পারবে কি না জিজ্ঞেস করেনি। আরও ২০ টা ... ৪১|শেভ করতে বারণ করিনি
ডাক্তার বলছেন রোগীকে:
—এই মুহূর্ত থেকে ধূমপান, মদ্যপান একদম বন্ধ। মেয়েদের সঙ্গে মেলামেশাও।
—কিন্তু, ডাক্তার সাহেব, আমি তো পুরুষ মানুষ!
—আপনাকে কিন্তু শেভ করতে বারণ করিনি।
৪২|ডাক্তার
একদিন পাগলা গারদের এক ডাক্তার তিন পাগলের উন্নতি দেখার জন্য পরীক্ষা নিচ্ছিলেন । পরীক্ষায় পাস করতে পারলে মুক্তি , আর না করলে আরো দুই বছরের জন্য আটকানো হবে । ডাক্তার তিনজনকে সাথে নিয়ে একটা পানিশূন্য সুইমিং পুলের সামনে গিয়ে ঝাঁপ দিতে বললেন । প্রথম পাগল সাথে সাথেই ঝাঁপ দিয়ে পা ভেঙ্গে ফেলল । দ্বিতীয় পাগলটিও ডাক্তারের কথা মতো ঝাঁপ দিয়ে হাত ভেঙ্গেফেলল । কিন্তু তৃতীয় পাগলটি কোনোমতেই ঝাঁপ দিতে রাজি হলো না । ডাক্তার আনন্দে চিৎকার করে উঠে বললেন , আরে , তুমি তো পুরোপুরি সুস্থ । তোমাকে মুক্ত করে দেব আজই । আচ্ছা বলো তো তুমি কেন ঝাঁপ দিলে না ?
জবাবে সে বললো , ‘ আমি তো সাঁতার জানি না ’ ।
৪৩|ছাত্র
স্যার ক্লাশে সবাইকে ক্রিকেট ম্যাচ নিয়ে রচনা লিখতে দিয়েছেন । সবাই মন দিয়ে লিখে চলছে । ৩-৪ মিনিট পরেই স্যার হঠাৎ দেখেন রন্টি জানালা দিয়ে উদাস নয়নে বাইরের মাঠের দিকে তাকিয়ে আছেন ।
স্যার রন্টিকে ঝাড়ি দিয়ে জানতে চাইলেন , ‘ এই তুমি লিখছো না কেন ?’
রন্টি: স্যার আমার লেখা হয়ে গেছে!
স্যার: মানে ? কই তোমার খাতা দেখি ?
রন্টি স্যারকে খাতা এগিয়ে দিলেন , স্যার দেখলেন খাতায় লেখা রয়েছে ‘ বৃষ্টির কারনে ম্যাচ পরিত্যাক্ত ঘোষনা করা হলো । ’
৪৪|শুধু একটা ভুল
বাবা: খোকা , পরীক্ষা কেমন দিলি ?
ছেলে: শুধু একটা উত্তর ভুল হয়েছে ।
বাবা: বাহ্! বাকিগুলো সঠিক হয়েছে ?
ছেলে: না , বাকি গুলোতো লিখতেই পারিনি ।
৪৫| শ্রদ্ধা
শিক্ষকঃ বলো তো জহির , শিক্ষকদের স্থান কোথায় ?
জহিরঃ কেনো স্যার , আমার পেছনে ।
শিক্ষক (রেগে গিয়েঃ শিক্ষকদের শ্রদ্ধা করতে শেখোনি । তোমার কিছু হবে না!
জহিরঃ কেনো স্যার , আমার বাবা তো প্রায়ই বলেন , তোর পেছনে অতো মাস্টার লাগালাম , তবু তুই পাশ করতে পারলি না ?
(৪৬) গরু
স্যার ছাত্রকে প্রশ্ন করছে ।
স্যারঃ মিঠু , বলতো গরু আমাদের কি দেয় ?
মিঠুঃ গরু ? গরু আমাদের গুঁতো দেয় স্যার!!
( ৪৭) ইচ্ছাপূরণ
প্রথম বন্ধুঃ আমার জীবনে একটা ইচ্ছাও পূরণ হল না । তোর কোন ইচ্ছা পূরণ হয়েছে ?
দ্বিতীয় বন্ধুঃ হ্যা হয়েছে , ছোটবেলায় স্যারের হাতে চুল টানা খেতে খেতে ভাবতাম চুলগুলো না থাকলেই বুঝি ভালো হত । এখনদেখ , মাথায় একটাও চুল নেই ।
(৪৮) বুদ্ধিমান ছাত্র
একদিন ক্লাসে শিক্ষক তার সোনার আংটিটা একটা গ্লাসের পানিতে ডুবিয়ে ছাত্রকে প্রশ্ন করলেন ।
শিক্ষকঃ বল তো , এই আংটিটাতে মরিচা ধরবে কি না ?
ছাত্রঃ ধরবে না স্যার ।
শিক্ষকঃ গুড , ভেরি গুড । আচ্ছা বলতো , কেন ধরবে না ?
ছাত্রঃ স্যার , আপনি জ্ঞানী লোক । যদি পানিতে রাখলে মরিচা ধরতো , আপনি কখনই আপনার সোনার আংটি পানিতে রাখতেন না ।
( ৪৯) গানভক্ত
প্রথম বন্ধুঃ জানিস , আমাদের বাসার সবাই বাথরুমে গান গায়!
দ্বিতীয় বন্ধুঃ স-বা-ই ?
প্রথম বন্ধুঃ সবাই , চাকর-বাকর পর্যন্ত ।
দ্বিতীয় বন্ধুঃ তোরা তাহলে সবাই খুব গানের ভক্ত!
প্রথম বন্ধুঃ দূর , তা নয় , আসলে আমাদের বাথরুমের ছিটকিনিটা নষ্ট তো , তাই ।
৫০| ডাক্তার ও রোগী
ডাক্তার রোগীকে ব্যবস্থাপত্র দিয়ে বললেন-
ডাক্তারঃ আপনার খাবার সবসময় ঢাকা রাখবেন ।
রোগীঃ ঢাকা তো অনেক দূর । কুমিলায় রাখলে চলবে না ? ১৮+ বিশটি কৌতুক ৬১.
স্বামী(বাসর রাতে)- তুমি কি কখনো সেক্স মুভি দেখেছো ?
স্ত্রী - একবার দেখেছি
স্বামী - এখন আমরা তাই করব,যা ঐ মুভিতে হয়েছে।
স্ত্রী(চিন্তা করে)- তাইলে বাকী দুজন কই থেকে আনবে
৬২।
দুই বান্ধবীর কথোপকথন
১ম জন- এক ছেলেকে আমি আজ বোকা বানাইছি
২য় জন- কেমনে ?
১ম জন-ওর কাভহ থেকে ৫০০ টাকা নিয়ে সেন্ডেলের ফাকে লুকিয়ে রেখেছিলাম,আর গাধা আমার ব্রার মধ্যে আধা ঘন্টায়ও খুজে পায় নাই
৬৩.
এক বাচ্চা ছেলে এক কলগার্লকে প্রশ্ন করলো, “আপনার এত টাকা,গাড়ী আছে,আপনি কি ব্যাবসা করেন?”
কলগার্ল কিছুক্ষন ভেবে বলল, আমার HOLE SALE এর ব্যাবসা আছে”
৬৪. বাসর রাতে স্বামী বউয়ের চোখে বারবার চুমু দিচ্ছে
বউ বলল, “ বারবার চোখে চুমু দিচ্ছ কেন?”
স্বাম , “ তোমার চোখ হলো আমার কাছে ভালোবাসার বই,শুধু পাঠ করতে মন চায়”
বউ , “ নিচে লাইব্রেরীতে আগুন জ্বলছে,আর তুমি বই নিয়ে ব্যাস্ত”
৬৫. এক লোক ডিভোর্স এক মহিলাকে বিয়ে করেছে।
বিয়ের পরদিন তার বন্ধু তাকে জিগাইলো-সেকেন্ড হ্যান্ড বউ কেমন।
উত্তর- খারাপ না,প্রথম ৩ ইঞ্চির পড় ব্র্যান্ড নিউ।
৬৬.
“বাবা,আমি কিভাবে জন্মেছি?”ছেলের প্রশ্ন,
বাবা, “ তোমার আম্মা আর আমি ইয়াহুতে পরিচিত হয়েছি।আমরা ই-মেইলের মাধ্যমে ডাটা ট্রান্সফারকরি।এরপর সাইবার ক্যাফেতে দেখা করি।তোমারআম্মা ওখানে আমার হার্ড ডিস্ক স্লটে ঢুকাতে বলে,যে মুহুর্তে আমি আপলোড করবো ঠিক তখনই মনে পড়লো আমাদের কারো ফায়ার ওয়াল ইন্সটল করা নাই,ততক্ষনে ডিলিট চাপার সময়ও শেষ। ৯ মাস পর একটা পপ আপ আসে,ওটা তুমি”
৬৯|উকিল স্বামী, স্ত্রীকে নিয়ে বেড়াতে বেরিয়েছেন,
হঠাৎ রাস্তায় এক মহিলা ক্লায়েন্টের সাথে দেখা।
হ্যালা, নাইস টু মিট ইউ। কাল স›দ্ধ্যায় চেম্বারেদেখা হবে।
মহিলা চলে যেতেই ¯ত্রী জিজ্ঞেস করল স্বামীকে,
তোমার সাথে মহিলাটির কিসের সম্পর্ক ?
পেশাগত। তোমার, না ওর।
৭০|হাবা ভন্ডুল এর ছোটবেলার কাহিনী। পোলাডা একদিন দেখে এক বড় ভাই একটা মেয়েরে চুমু দিচ্ছে। বাসায় এসে ভন্ডুল মারে কয়,আম্মা! চুমা দিলে কি হয়? “
ওর মা ত খুব কড়া। সে চায় পোলা ভালা থাকুক। এইসব পাপ যাতে না করে তাই ডর দেখানের লাইগ্যা ভন্ডুলরে কইল, “ চুমা দেয়ার পর পোলাগুলার শরীর আস্তে আস্তে পাথর হইয়া যায়, পরে মাটিত পইরা মইরা যায়। “
ভন্ডুল কয় সত্যি?
হ
ভন্ডুল আস্তে আস্তে বড় হয়।যুবক হইলে একদিন এক মাইয়ার সাথে কথা হয়। কথায়কথায় সম্পর্ক হয়। মেয়েটা একদিন হাবা ভন্ডুলরে চুমাদিতে চায়। ভন্ডুল মানা করে।
আমার আম্মা কইছে মেয়েদের চুমা দিলে আমি মারা যামু।
বোকা! আসো। বলে মেয়েটা এগিয়ে একটা চুমা দিল। চুমা শেষ না করতেই করতেই হাবা ভন্ডুল আম্মা ঠিকই কইছিল বলে মাটিতে শুয়ে গড়াগড়ি দেয়া শুরু করছে।
কি হইছে?
আল্লাহ রে। আমি পাত্থর হইয়া মইরা যামু। তোমারে চুমা দিতে না দিতেই আমার শরীরের একটা অংশ শক্ত হওয়া শুরু করছে।
৭১|জামাই বউ এসেছে ডাক্তার কাছে।
ডাক্তার বলল, কি হইছে?
বউ জামাইকে দেখিয়ে রাগী রাগী মুখে কয়, সে ত ৩০০% অক্ষম হয়ে পড়ছে।
-৩০০%? বুঝলাম না...
-১০০% অক্ষম কিভাবে সেটাত আইডিয়া করতেই পারছেন তাই না? এরপর শুনেন। সে তার জিহবা পুড়ে ফেলছে আর আঙ্গুল ভেঙ্গে বসে আছে।
বারে ছেলে মেয়ের সাথে কথাহচ্ছে।
ছেলে- তোমার নাম কি?
মেয়ে- কারমেন।
-বেশ ভালো নাম ত।
-হুমম। আমি নিজেই এই নাম নিয়েছি।
-কেন?
-আমি কার ভালোবাসি আর মেন(man) ভালোবাসি। দুইটা মিলে কারমেন।
-হুমমম।
-তোমার নাম কি?
-আমার নাম বিয়ারফাক।
এক রেড ইন্ডিয়ান বৃদ্ধ আরঅল্প বয়সের তরূনী এসেছে হাসপাতালে। মেয়েটার বাচ্চা হবে। ডাক্তার বাচ্চা ডেলিভারি দেয়ার পর, বুড়াকে জিজ্ঞেস করল, এই বয়সে পোলার বাপ... ক্যামনে পারেন আপনি?
হে হে হে... পুরান ইঞ্জিনেওকাম চলে।
পরের বছর আবার বাচ্চা হলো। এইবারো ছেলে। ডাক্তার জিজ্ঞেস করল, আপনার কি স্পেশাল কোন মেডিসিন জানা আছে? ক্যামনে করতাছেন এই কাজ?
হে হে হে... পুরান ইঞ্জিন এখনো নষ্ট হয় নাই।
পরের বছর আবার বাচ্চা হবে। এইবারও ছেলে। ডাক্তার বের হয়ে এসেছে। তাকে দেখেই বৃদ্ধ বলল, হে হে হে...পুরান ইঞ্জিন কাজ করতাছে...
ডাক্তার বলল, হুমম... তয় মনে হয় তেল পাল্টাতে হবে।এইবারের ছেলে ত নিগ্রো।
জিরাফ মাত্র গাজার কল্কেতে একটান দিয়েছে, এমন সময় খরগোশ হাজির। ছিঃজিরাফ। এইটা কি করছো?
জিরাফ কিছু বলে না।
খরগোশ বলে, এরচে চলো বনের ভিতর একটু দৌড়াদৌড়ি করি, স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।
৭২|দিয়ে খরগোশের সাথে দৌড়াতেশুরু করল। তারা দুইজন দৌড়াতে দৌড়াতে একজায়গায় এসে ভালুকের সাথে দেখা। ভালুক শিরায় সুই ফুটাচ্ছে।
ছিঃ ভালুক।
ভালুক চুপ করে থাকে।
- তোমার শরীরের জন্য ড্রাগ খারাপ। এরচে বরং চলো বনের ভিতর একটু দৌড়াই। রক্ত চলাচল বাড়ুক।
তিনজন দৌড়াচ্ছে...
বাঘের সাথে দেখা। বাঘ মাত্র আফিম নেয়ার জোগাড় যন্ত্র রেডি করছে।
-ছিঃ বাঘ ।
বাঘ কিছু বলে না।
-এইসব ছাইপাশ না নিয়ে, বরংএকটু দৌড়াই চলো...
বাঘ এই কথা শুনেই খরগোশকেধরে মারতে লাগল। ভালুক আরজিরাফ এসে তাকে থামাল। শেষবারের মত খরগোশকে একটালাথি মেরে সে বলল, তুই আজকে জাস্ট বাইচ্যা গেলি।
ভালুক বলল, ছিঃ বাঘ। খরগোশত ভালো কথা বলছে।
হ!! হারামজাদা যখনই ইয়াবা খায়, আমারে ফুসলাইয়া নিয়া আদ্ধেক বন দৌড়ায়।
বব আর লিসার বিয়ের ত্রিশতম বার্ষিকী। দুইজনেরই বয়স হয়েছে। দীর্ঘ বিবাহিত জীবনে নানাঝামেলা এসেছে, সেই ঝামেলা পাড়িও দিয়েছে। আজ তারা চারটি ছেলে সন্তানের বাবা-মা। সুখের জীবন।
অনুষ্টান শেষে, রাতের বেলা লিসা ববকে বলল, আজকে রাতে তুমি আমাকে একটা সত্য কথা বলবে?
বলব।
৭৩|তুমি বিবাহিত জীবনে আমি ছাড়া আর কয়টা মেয়ের সাথে শুয়েছো?
বব উত্তর দিতে একটু দেরি করছে। লিসা তাই বলল, দেখো,আমরা এমন বয়সে চলে এসেছি যে একজনকে ছাড়া আরেকজন চলতে পারব না। সুতরাং সত্যি কথা বললেও সমস্যা হবে না।
বব মাথা ঝাকিয়ে বলল, শুয়েছি তিনজনের সাথে...
দুইজনেও চুপ-চাপ। গলা খাকাড়ি দিয়ে বব বলল, আমারোএকটা প্রশ্ন ছিল।
কি?
দেখো, আমি আমার সবকয়টা ছেলেকেই সমান চোখে দেখেছি। কোনদিন অবিচার করিনি। আজকে তোমাকে বলি , আমার ভিতর সন্দেহ ছিল জনিকে নিয়ে। সে তার বড় তিনভাইয়ের মত না। তার শারীরিক গঠনও আলাদা। সে চিকন এবং বাকি ভাইদের তুলনায় অনেক বেশি মেধাবি।যে কেউ মাথা খাটালেই বুঝবে, জনির বাপ আর বাকিদের বাপ এক পুরুষ না।আমার খুব সন্দেহ তাকে নিয়ে। তুমি সত্যি করে বলোত, জনির বাপ আসলে কে?
লিসা কিছুক্ষন মাথা নিচু করে থাকে, এরপর লাজুক মুখেবলে, তুমি।
৭৪|কেন বই পড়া বা পড়াশুনাকরা সেক্স করা থেকে ভালো?
তাড়াতাড়ি পড়া হয়ে গেলে লজ্জার কিছু নাই।
আপনি একা একা পড়তে পারেন
আপনি চাইলে আরেকজনকে সাথেনিয়ে পড়তে পারেন। আবার গ্রুপেও পড়তে পারেন। কেউ আপনার রুচি নিয়ে প্রশ্ন করবে না।
খোলা ময়দানে শুয়ে বসে যেভাবে ইচ্ছে পড়তে পারেন।
পড়ার সময় হঠাত করে বাবা মা রূমে ঢুকে পড়লে কোন অসুবিধা নাই।
আপনি ছেলে বা মেয়ের সাথে একত্রে পড়তে পারেন।
পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে পড়লে লজ্জার কিছু নাই।
কয়েক ঘন্টা ধরে একটানা পড়তে পারবেন।
আপনার বই সাইজে ছোট হলেও কুনো সমস্যা নাই।
৭৫|রেস্টুরেন্ট। চিকেন এর অর্ডার মাত্র এসে টেবিলে পৌছল।
বব খাওয়া শুরু করবে এই সময় অয়েটার এসে বলল, স্যার। থামেন। এই ডিস আপনাকে দেয়া যাচ্ছে না।
কেনো?
জন সাহেব আমাদের নিয়মিত খদ্দের। তিনি এই ডিস খান।আজকে এইটাই শেষ ডিস। সুতরাং দয়া করে এটা নিয়ে যেতে দিন। হাউসের তরফ থেকে আপনাকে আমরা অন্য একটা ডিস ফ্রি দিচ্ছি।
জন হারামজাদা কে? সে চাইলেই আমি ডিস ফেরত দিব ক্যানো? আমি দিব না। এই চিকেন আমি খাব। জন যা পারুক করুক।
অয়েটার চলে গেলো। একটু পরএক পুলিশ অফিসার আসল। এসেই বলল, কুত্তার বাচ্চা! আমার চিকেন দে!
বব বুঝল এর নামই জন।
সে বলল, আমার ডিস আমি খাব! কিছুতেই তোকে দিব না।
আইচ্ছা! তোকে সাবধান করে দিচ্ছি। তুই মুরগিটার যা করবি, আমিও তোর তা করমু। তুই যদি মুরগির একটা রান ছিড়স, তোর রানও আমি ছিড়মু।খবরদার! মুরগির গায়ে হাত দিবি না।
আমি মুরগির সাথে যা করমু, তুই আমার সাথে তা করবি? আইচ্ছা! দেখ শালা...এই বলেই বব মুরগির দুই পা ফাক করে, ইয়ের ভিতর দুইটা আঙ্গুল ভরে দিলো। এরপর আবার আঙ্গুল দুইটা বের করে নিজের মুখে চুষে নিল।এরপর উঠে প্যান্ট খুলল। জনের দিকে তাকিয়ে বলল, ওকেশুরু কর দেখি।
৭৬|বব সিগারেটখোর। সারাদিন ফুকে চলছে।
ওর বঊ বিরক্ত হয়ে তাকে ধরে নিয়ে গেলো ডাক্তারের কাছে বিড়ি ছাড়ানোর জন্য। ডাক্তার বুদ্ধি দেয়। বব সেইকথা মত চলে। কয়দিন বিড়ি ফুকা বন্ধ থাকে। এইসময় বব রাতে ঘুমাতে পারে না। কয়েকটা রাত নির্ঘুম কাটিয়ে আবার সিগারেট ফুকা শুরু হয়। রাতের ঘুমও ফিরে আসে। এদিকে বার বার ডাক্তারের কাছে আসতে হচ্ছে।
শেষবার ডাক্তার বলল, এইবার আপনাকে আল্টিমেট বুদ্ধি দিচ্ছি। এইটা ফেইলকরলে আমিও ফেইল। আপনাকে অন্য ডাক্তারের কাছে যেতেহবে।
বুদ্ধিটা কি?
আপনি যখন এক প্যাক সিগারেট কিনবেন তখন দুইটাসিগারেট প্যাকেট থেকে বেরকরে, নিজের পাছার ফুটোতে ভরে দিবেন সামান্য সময়ের জন্য। এরপর দুইটাকে বের করে এনে প্যাকেটের অন্য সিগারেটের সাথে মিশিয়ে ফেলবেন। যেহেতু আপনি জানেন না কোন দুইটা ময়লা সিগারেট, আপনি সিগারেট খেতে পারবেন না।
দুই সপ্তাহ পর ববের বউ আসছে। বব আসে নাই।
ডাক্তার জিজ্ঞেস করলেন, কি কাজ হইছে?
বব ত সিগারেট খাওয়া বন্ধ করছে। কিন্তু এখন ত আবার পাছায় দুইটা সিগারেট না ভরা পর্যন্ত সে রাতে ঘুমাতে পারে না।
৭৭|পাগলদের হাসপাতালের নার্স ডিউটিতে বের হইছে। ববের কাছে এসে দেখে বব খুব ব্যস্ত ভঙ্গিতে হাত পা চালাচ্ছে। আর মুখে পো পো শব্দ করছে। তার দোস্ত জন একটু পরপর অদৃশ্য কিছুতার হাতে তুলে দিচ্ছে। দুইজনে মিলে হেভি ব্যস্ত।
বব , তুমি কি করছো?
আমি গাড়িটা ঠিক করছি। শিকাগো যাব। জন সাহায্য করছে।
পরের দিন বব অদৃশ্য কাউকেহেভি গালি দিচ্ছে।
সাইড দে হারামজাদার দল।
নার্স জিজ্ঞেস করল, কি করছো বব?
আমি শিকাগো যাচ্ছি। তবে রাস্তায় খুব জ্যাম। কেউ সাইড দেয় না।
নার্স ববের সাথে কথা বলে এসে জনের রূমে এল। জন হস্তমৈথুন করছে।
জন কি করছো?
বব শিকাগ যাচ্ছে , এই ফাকেআমি ওর বউয়ের সাথে রোমান্স করছি।
৮০|একশহরে দুই জমজ ভাই ছিল। বব আর জন। বব বিয়ে করেছিল লিসা নামের একটা মেয়েকে। কাকতালীয়ভাবে লিসা নামে জনের একটা ফিসিং বোটও ছিল। আরো কাকতালীয়ভাবে ববের বউ লিসা যেদিন মারা যায় ঠিক সেইদিন জনের নৌকাও ডুবে যায়।
কয়েকদিন পর, শহরের এক বৃদ্ধা মহিলা জনের সাথে দেখা হলো। জন তার নৌকা লিসাকে হারিয়ে খুব একটা দুঃখ পায় নাই। এদিকে মহিলা ভেবেছে এইটা বব। ববের বউ মরায় সে নিশ্চয় কষ্টে আছে।
মহিলা বলল “আহা! কিরে পোলা, লিসার জন্য কষ্ট হয় রে?”
জন বলল, তেমন একটা হয় না।
কি বলিস ছোকরা!
আরে বলবেন না, যেদিন থেকে লিসা আমার হলো- সেদিনই আমি টের পেলাম আসলে লিসা বেশ খারাপ মাল। তার নিচটাবেশ ময়লা- পচা মাছের গন্ধ পেতাম। যেদিন আমি প্রথম তার ওপর উঠলাম- সে ছ্যাড়ছ্যাড় করে পানি ছেড়েদিল। আমার মনের অবস্থাটা বুঝেন! তার পিছন দিকে তাকালে পরিষ্কারভাবেই একটা খাজ দেখা যেত। আর সামনের দিকের ছিদ্রটা যত দিন যেতে লাগল ততই বড় হতে লাগছিল। তবু তাকে দিয়ে আমার কাজ চলে যাচ্ছিল। কিন্তু শহরের চার যুবক এসে তার জীবন শেষ করে দিল। এই চাইর বদমাশ আসছিলএকটু ভালো সময় কাটানোর জন্য। শহরে ভালো কিছু না পেয়ে এরা লিসাকেই পছন্দ করে ফেলল।আমি ত লিসাকে ভাড়া দিতে রাজি না। হাজারহোক লিসা আমার। কিন্তু হারামজাদাগুলা লিসার জন্য আমাকে টাকা সাধতে শুরু করল। আমি জানি লিসারক্ষমতা নাই একসাথে চারজনকে নেয়ার- কিন্তু ওরা টাকা দিয়ে আমাকে রাজিকরিয়ে ফেলল।
একটু দীর্ঘশ্বাস ফেলে জন বলল, ওরা চারজন একসাথে লিসার ওপর চড়ে বসতেই লিসাশেষ বারের মত পানি ছেড়ে দিয়ে ...... শেষ হয়ে গেলো।
জনের কথা শেষ হতেই বুড়ি মাথা ঘুরে পড়ে গেলো। এলমেলো ২০টি কৌতুক ৮১|আমেরিকা থেকে ছেলে মাকে চিঠি লিখেছে
মা,
আমেরিকায় অনেক দিন থেকে আমার শরীরে এখন এইডস বাসা বেঁধেছে। জীবনের বেশিরভাগ সময় বিদেশে কাটিয়েছি, বাঁচবোই আর কয়দিন! এজন্য এবারে সিদ্ধান্ত নিয়েছি জীবনের শেষ কটিদিন বাংলাদেশেই কাটাবো।
মা-ছেলেকে উত্তর দিয়েছে
বাবা,
তুমি দেশে ফিরার চিন্তা করোনা। তুমি দেশে আসলে বাসার কাজের মেয়ের এইডস হবে, কাজের মেয়ের এইডস হলে তোমার বাবার এইডস হবে,তোমার বাবার এইডস হলে আমারও এইডস হবে, আমার এইডসহলে তোমার চাচার এইডস হবে,চাচার হলে তোমার চাচিরও হবে, আর তোমার চাচির হলে তো পুরা মহল্লার এইডস হবে,তাই দেশে আসার চিন্তা করো না।
>দূরে থাকুন… শহর ফোন
৮২।...
৮৩. একটি চালাক ছেলে তার পছন্দের মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দিল এভাবে—সে মেয়েটিকে নিয়ে নৌকায় উঠল। নৌকাটি মাঝনদীতে যাওয়ার পর মেয়েটিকে বলল, ‘তুমি যদি আমার প্রস্তাবেরাজি না হও তাহলে এক্ষুনিনৌকা ছেড়ে চলে যাও।’
৮৪. একটি পরিচ্ছন্ন ডেস্কএকটি এলোমেলো ড্রয়ারের প্রতীক।
৮৫. স্বামীর কাছে আরও বেশি স্বাধীনতা দাবি করায় স্বামী মিস্ত্রি ডেকে রান্নাঘরটা বড় করে দিলেন।
৮৬. একটা ফোন এল ৭৭৭৭৭৭৭৭নম্বরে, ‘হ্যালো, এটা কি ৭৭৭৭৭৭৭৭? প্লিজ, আমাকে একটা ডাক্তার ডেকে দিন না। আমার আঙুল ফোনের ডায়ালে আটকে গেছে।’
৮৭. দোকানদারের কাছে অদৃশ্য কালি চাইতেই দোকানদার বলল, ‘কী রঙের দেব বলুন।’
৮৮. উনি এত কৃপণ যে চিনির কৌটায় কাঁটাচামচ ব্যবহারকরেন।
৮৯. পেটে প্যাঁচঅলা এক লোক ভুলে পেরেক খেয়ে ফেলায় সেটি স্ক্রু হয়ে বেরিয়েছিল।
৯০. ভোট অন্যতম নাগরিক অধিকার, যা প্রয়োগে অধিকাংশ সময়েই নাগরিকদেরকোনো অধিকার অর্জিত হয় না।
৯১. ছেলে: মা, রূপকথার গল্প সব সময় ‘এক দেশে ছিল এক’ দিয়ে শুরু হয় কেন?
মা: না, সব সময় না। মাঝে-মধ্যে অফিসের কাজে আটকে গেছি, আজ ফিরতে একটুরাত হবে দিয়েও শুরু হয়।
৯২. রেস্তোরাঁর মালিক: ওয়েটার, আজ খদ্দেরদের সঙ্গে একটু ভালো ব্যবহার করবে, কারণ আজকের ভাতের তলা ধরে গেছে, পোড়া গন্ধ।
৯৩. আমি সব সময় ওর হাত ধরেথাকি। কারণ, হাত ছাড়লেই সে কেনাকাটা করতে যায়।
৯৪. আমাদের বাসার রান্নাঘরটা এত ছোট যে ওখানে কনডেন্সড মিল্ক খেতে হয় আমাদের! এমনি দুধখাওয়া যায় না।
৯৫. এক তরুণ রাস্তায় এক তরুণীর পথ রোধ করে বলল, কিছু মনে করবেন না। আমি একটা টেলিফোন ডিরেক্টরি লিখছি, আপনার নম্বরটা যদিদয়া করে দিতেন…।
৯৬. রাজনীতির প্রথম কথা হচ্ছে, রাজনীতিতে শেষ কথাবলে কিছু নেই।
৯৭. বিশ্বের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জনৈক নেতা মাত্র চার ঘণ্টার জন্য অনশন পালন করেন। তাঁর অনশন শুরু হয়েছিল সকালে নাশতা খাওয়ার পর এবং অনশন ভাঙেন মধ্যাহ্নভোজনের আগে আগে।
৯৮. আপনার একটি ফোন থাকলেসেটি প্রয়োজনীয়তা, দুটি ফোন থাকলে সেটি বিলাসিতা,আর কোনো ফোনই যদি না থাকেতাহলে আপনি স্বর্গে বসবাস করছেন।
৯৯. নির্বাচন হচ্ছে গণতান্ত্রিক-ব্যবস্থার একটি চমত্কার উদার দিক, যেখানে সবাই মিলে ঠিক করেকে কে তাদের শোষণ করবে।
১০০. কারচুপি একটি প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক শব্দ, পরাজিত দলের ভাষ্যমতে যা স্থূল ও সূক্ষ্মরূপে জয়ী দল করে থাকে।